Tuesday, May 23, 2017

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তির খোলা চিঠি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি বিশেষ্য বিশেষন দিয়ে তোষামোদি করতে জানিনা। তাই সরাসরি আমার কিছু না বলা কথা এবং কিছু হতভাগা মুক্তিযোদ্ধাদের করুন ইতিহাস আপনার সদয় অবগতির জন্য মিডিয়ার সাহায্য নিতে বাধ্য হলাম।
আপা, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুজিবনগরে প্রশিক্ষণ নেয়া যোদ্ধা।
  স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ২রা মার্চ জাতিরজনক বংগবন্ধু/বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজুদ্দিন আহমেদ একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই ১০ মিনিটের নির্দেশে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চাকুরী প্রদান করেছিলেন। ৭ দিন কি ৮ দিন পায়ে হেটে না খেয়ে মুজিবনগরে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম একটি স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নেশায়।

এ নেশা সাড়ে সাত কোটি মানুষের রক্তে মাংসে অস্তিত্বে মগজে সেলের মত বিধেছিল ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ "পশ্চিমা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে বাংলাকে মুক্ত করতে হবে" জাতিরজনকের এই উদাত্ত আহবানে সারা দেয়া কী ভুল সিদ্ধান্ত ছিল? তাই আমি মুক্তিযোদ্ধা। নামবিহীন অস্তিত্ববিহীন মুক্তিযোদ্ধা! নাম বদলে দিলাম। মোঃ মোকতেল হোসেন থেকে নাম বদলে হয়ে গেলাম মোকতেল হোসেন মুক্তি।
পরবর্তীতে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ১৩ই এপ্রিল ১৯৭২ সালে মন্ত্রী পরিষদ গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হলে মাদারীপুরের কৃতি সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক খাদ্যমন্ত্রী প্রয়াত ফনি ভূষন মজুমদারের অনুস্বাক্ষরে বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবীল থেকে এক হাজার টাকার অনুমোদন (মাদারীপুর মহকুমা প্রশাসক অফিসে) এবং ৩ বান ঢেউ টিন প্রদান করেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের রেকর্ডে একজন মুক্তিযোদ্ধার কোটায় আমার চাকুরী হয়েছিল। স্বাধীন বাংলাদেশের সচিবালয়ে আমিই ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিলাম। আমার ডিউটি ছিল জননেত্রী শেখ হাসিনার ফুফা, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি, সাবেক চীপ হুইপ আলহাজ্ব হাসনাত আব্দুল্লাহ সেরনিয়াবাত এর গর্বিত পিতা, যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি ভাইয়ের শ্বশুর, সাংসদ ব্যারিষ্ঠার তাপসের নানা সাবেক কৃষক লীগের সভাপতি ভুমি মন্ত্রী ও পরবর্তীতে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায়।
ইতিহাসের ঘৃণ্য কালো অধ্যায় ১৫ঈ আগস্টের মধ্যযূগীয় বর্বর হত্যাকান্ডের লাশ দেখে আমি পাগল হয়ে যাই। পিজি হাসপাতালে আমার ৩ মাস চিকিতসা চলে এবং সে তিন মাসের বেতন ভূমি মন্ত্রণালয় কর্তন করে। এ কথা সকলেই জানেন।
আমি ভারতের প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। আমার ঘরের সব কাগজপত্র আমার ভাইদের শিক্ষার সনদ, জমির দলিল দস্তাফেজ সমূহ সব মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ছিড়ে ফেলি। আমার পরিবারের সব আমি ধংস করে ফেলেছিলাম। ভুমি মন্ত্রনালয় তার প্রমান।
আমি মন্ত্রীকে এসব কথা বলাতে আমাকে অপমান করতে পারেন না। আমি প্রবাসে থাকি। আমাকে আবেদনের সুযোগ না দিয়ে অপমান করার অধিকার মন্ত্রীর নাই। তিনি আমার দরখাস্ত গ্রহন করা ও না করার অধিকার রাখেন কিন্তু মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর নির্দেশে  আমাকে অপমান করতে পারেন না। তিনি আমার আবেদনে লিখেছেন
“যেহেতু আবেদনকারী বহুবার দেশে এসেছিলেন এবং আবেদন করেন নি তাই তার আবেদন গ্রহন করা গেল না”
তিনি মেজর জেনারেল সুবিদ আলীর শিখানো কথা মত বললেনঃ ৪৫ বছর পরে মুক্তিযোদ্ধা হতে এসেছে। বের করে দেন”।
আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই, একজন সক্রিয় আওয়ামি যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ ছাড়া আমার জীবনে অন্য কোন বিষয় কাজ করেনি এবং এ মুক্তিযুদ্ধ বংগবন্ধ ও আওয়ামী লীগই আমার ধ্যান ধারনা চিন্তা চেতনা আদর্শ এ কথা প্রমান করে আমার ৬০ হাজার প্রায় লীফলেটস, ব্যানার ও পোষ্টার এশিয়ায় ইন্টারনেট চালু হবার পর থেকেই কার বিনা প্ররোচনায় করে এসেছি। শুধু তাই নয় আমি ২০০ ওয়েব সাইট ও ব্লগ মেইনটেইন করি যা’শুধু যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ সংক্রান্ত। এ সকল ছবি ও ব্লগ/ওয়েবসাইটগুলোই প্রমান করে যে আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রীতিমত একজন বদ্ধ উন্মাদসম গবেষক।
Just write my name on the google search engine where you’ll get real Identity of mine “write Moktel Hossain Mukthi or muktimusician.
এ ছাড়াও আমি একজন একনিষ্ঠ অনলাইন আওয়ামী যোদ্ধা। মালদ্বীপের বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, মালদ্বীপের মাটিতে আমিই সর্ব প্রথম মুক্তিযুদ্ধ বঙ্গবন্ধু এবং পাকিস্তানের ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা প্রদান করে পাকিস্তান হাই কমিশনের মামলা খাওয়া একজন মালদ্বীপ সরকারের শিক্ষক।
মন্ত্রী মহোদয় এ সব পরিচয় জানার পরেও বলেন নি যে আপনি বসেন বা কিছু বরং তাঁর আচার ব্যবহার এতই রুঢ় ছিল যা’ শিবির বা জামাতের কারো সাথে করছেন বলে অনুমেয়। আমার সাথে ভদ্র ভাষায় কথাও বলেন নি। এক পর্যায়ে জেনারেল সুবিদ আলীর কথায় তিনি আমাকে ঘাড় ধরে তাঁর কক্ষ থেকে বেড় করে দেয়ার কথা বলেন এবং অতঃপর.........।।
তিনি মন্ত্রী না হলে হয়তো সেখানেই কোন দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আমি আমার নিজেকে নিয়ন্ত্রন করে চলে আসি। আমার সহযোদ্ধারা এখনো অনেকেই বেচে আছেন। ড: গোলাপ আমার সাথের একই ক্যাম্পের যোদ্ধা। আওয়ামি যোদ্ধা।  
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী সব সময় প্রচন্ড মিথ্যা কথা বলেন। যা' মিডিয়া ও বক্তৃতায় বলেন, বাস্তবের সাথে তার কোন মিল নেই; তিনি যা বলেন সব মিথ্যা কথা মিথ্যা তথ্য। এখনো বহু আসল মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভুক্ত করতে পারেনি অথচ তিনি বক্তৃতায় ঘোষনা করলেন সকল জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড করা হবে। আসল অনেক মুক্তিযোদ্ধার নামই সংগ্রহ করতে পারেন নি-তিনি কিভাবে এ ঘোষনা প্রদান করেন?   
তার দেয়া সব তথ্য জাতিকে বিভক্ত করছে; মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কলঙ্কিত হচ্ছে। নতুন তালিকা প্রণয়নের নামে এগুলো প্রতারণা। মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন। মিডিয়া, দেশবাসী এমন কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রতারণা করছেন । দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে উপজেলা ও জেলাসমূহে যে দুর্নীতি চলছে, যে সনদ ও মুক্তিযোদ্ধা যাচাই বাছাইয়ের নামে ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের বিগত বছরগুলোর সকল সফলতা এমন কি মহান মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের যে অবদান সব মলিন হয়ে যাবে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীদের মত স্বজনপ্রীতি দুর্নীতি গ্রস্থ নেতা/কমান্ডারদের কারনে।
কারন আপনি আদর্শিক কারনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করছেন।  সমস্ত মন্ত্রী এম পি দের তৃনমূলের সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ক্ষমতা ও অর্থ সম্পদ শালী মধ্য শ্রেণীর নেতা যার মধ্যে অর্ধেকই প্রায় জামাত শিবির ও বি এন পি, তাদের সাথে তাল মিলিয়ে, হাত মিলিয়ে আমার মত পাগল ছাগল নিবেদিত ত্যাগি সৎ নিষ্ঠাবান অভিজ্ঞ উচিত কথাবলার প্রকৃত মুক্তিসেনাদের এভাবেই তারা অপমান তাচ্ছিল্য করে দূরে সরিয়ে রাখে। যে কারনে ছাত্রলীগের ছেলেদের সেনাবাহিনী নৌ বাহিনী বিমান বাহিনী পুলিশ বিজিবি ও অন্যান্য সরকারী ভালো পদে চাকুরী হয় না।
কারন ওরা ত টাকা দিতে পারবে না। দলীয় ছাত্র লীগের ছেলেদের নিকট টাকা চাইতেও পারে না; যদি আবার নেত্রীকে বলে দেয় বা জানিয়ে দেয়। তাই গোপনে আওয়ামী লীগের নেত্রীর বিশ্বাসী নেতাগন গোপনে চাকুরী প্রদান করে, স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তির সুপারিশ ও তদবীর করে জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েদের । কারন টাকা পাওয়া যাবে।
উত্তরা ও এয়ারপোর্ট থানা এলাকায় আমার বাস। আমার জানা মতে ঠিক আমারই মত ত্যাগি জীবনবাজী রেখে নৌকার জন্য ভোট সংগ্রহ কারীর একটি মেয়েকে বঙ্গ মাতা স্কুলে ভর্তির জন্য কি না করেছে? মায়া ভাই পর্যন্ত বিষয়টি জানতেন। সে মেয়েটি সুযোগ পায়নি; দেখা গেছে-ঢাকা এয়ারপোর্ট ও বিমানে চাকুরীরত জামাত বি এন পির ছেলে মেয়েরা অজানা রহস্যের কারনে সবাই সুযোগ পেয়ে গিয়েছে।
এর নাম স্বাধীনতা ? মুক্তিযুদ্ধ ? আওয়ামী লীগ ? এত সে বঙ্গবন্ধুর নৌকা ডুবানোর দুরদন্ত শয়তানী মাঝি খন্দকার মোস্তাক আহমেদ, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, চাষী মাহবুবুল আলম, নূরুল ইসলাম, কে এম ওবায়দুর রহমান তাহের উদ্দিন ঠাকুরদের চেয়ে একটূ কম নয়। আমিই হলাম বাঙ্গালী জাতির মধ্যে সবচেয়ে কুলাঙ্গার। ধিক্রিত অবহেলিত লাঞ্ছিত মূর্খ বেয়াকুপ বেয়াক্কেল আহাম্মদ বোকা গাধা । না পারলাম প্রাণ খুলে হাসতে না পারলাম দুটি কন্যা সন্তানকে প্রাণ খুলে হাসতে। কি লাভ হল? এ স্বাধীনতায়? যে স্বাধীনতা আমার অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না; সে স্বাধীনতাকে আমি কেন স্বীকৃতি দেব? রাষ্ট্রই যদি আমাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেয়, আমি কেন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবো? কেউ দেবে না। এটাই নিয়ম, এটাই লজিক। জানি আমি এতে হবো রাষ্ট্রদ্রোহী। তাও মন্দ কী? একটা কিছু ত হবো? আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘাড় ধরে বেড় করে দেয়?? এ স্বাধীনতার অর্থ কী? কেন পেলাম? কি আশায় স্বাধীন হলাম? কিসের নেশায় নৌকা নৌকা মুজিব মুজিব করে জীবনের শেষ অবস্থানটুকুকে ধূলিসাৎ করে দিয়ে নির্বাসিত হলাম এই দ্বীপ রাজ্য মালদ্বীপে । ভুল কোথায়? ভুল তো আছেই হয়তো জানিনা জীবনের কোথায় কোন সিদ্ধান্তে বড় রকমের ভুল ছিল। তাই ভুলের মাশুল দিয়ে গেলাম ৬৫ বছর বয়সের মুক্তিযোদ্ধা মোকতেল হোসেন মুক্তি।


ভুল তথ্য দিচ্ছেন। এর সমাধান চাই। এর একটি পরিস্কার ব্যাখ্যা চাই; সত্যের জয় হবে; তাই চাই; জাতিরজনকের নাম ভাঙ্গিয়ে কেউ ক্ষমতায় থেকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিকদের নিয়ে রঙ তামাশা করবে; মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণের নামে ব্যবসা করবে, এর জন্য যুদ্ধে যাইনি, এর জন্য ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী শহীদ হয়নি; এর জন্য ২ লক্ষ ৪০ হাজার মা বোনের ইজ্জত হারায়নি। আসল মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাই করতে ব্যর্থ মোজাম্মেল হক।
এই মিথ্যাচারের জন্য আল্লাহ্‌ বিচার করবেন রোজ হাসরের দিন। মহান আল্লাহর বিচারে কারো হাত নেই। আল্লাহর উপরে কোন মন্ত্রী নেই; আল্লাহর উপরে বিচারক নেই; রোজ হাসরের থেকে শক্তিশালী ক্ষমতাবান কোন আদালত নেই। বহু আসল মুক্তিযোদ্ধা এখনো তালিকার বাইরে এবং এ সমস্যা আগামী ১০০ বছরেও কোন সরকার সমাধান করতে পারবে না। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা রেকর্ড হবে ।
মন্ত্রী নিজেও জানে না যে উপজেলা জেলা গুলোতে এই তালিকা নিয়ে কি পরিমান টাকার ছাড়াছড়ি চলছে? কি পরিমান ব্যবসা করছে নব্য থানা কমান্ডারগণ। এমন কোন উপজেলা নেই যেখানে সত্যকারের মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ে নাই এবং ভূয়া মিথ্যা তথ্য প্রদানকারী মন্ত্রীর ক্ষমতা বলে নয়তো এম পির ক্ষমতা বলে অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ক্ষমতা বলে নতুন তালিকায় নাম লিখিয়েছে। এমন প্রমান আমার গ্রামে আমার ইউনিয়নে রয়েছে। আমি ত অন্যের ক্কথা শূনে এ সব লিখিনি ভাই।ফুরিয়ে যাচ্ছে ৭১ এর সোনার ছেলে মেয়েরা, বেচে থাকবে শুধু ৭১ এ জন্ম নেয়া নব্য মুক্তিযোদ্ধারা, যারা লক্ষ টাকায় মুক্তিযুদ্ধের সনদ কিনে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে। আমরা মুজিবনগরে (ভারতে) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এর চেয়ে বড় পরিচয়ের প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপ ভারতের চাদপাড়া এবং পরবর্তীতে ব্যারাকপুর মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা এবং আমরাও একই সময়ে একই শিবিরে একই কমান্ডারের অধীন প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধা। ডঃ আব্দুস সোবহান গোলাপের নাম যদি মুক্তিযোদ্ধা সংসদের তালিকায় থাকতে পারে, তবে আমাদের নাম থাকবে না কেন? শুধু আমরা নই, সারা বাংলাদেশে বহু অখ্যাত অপরিচিত অশিক্ষিত অজো পাড়া গায়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম এখনো তালিকাভুক্ত হয়নি। বহু মুক্তিযোদ্ধা ইতোমধ্যেই পরলোকগমন করেছেন, কোন স্বীকৃতি ও সুযোগ সুবিধা ভোগ না করেই তারা চলে গেছেন বাঙ্গালী জাতিকে মহান স্বাধীনতা প্রদান করে। তাদের নাম কে তালিকাভুক্ত করবে? কেন একটি সঠিক তদন্ত কমিটি কর্তৃক সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করা হয়নি? এ প্রশ্ন সরকার ও দেশবাসীর কাছে। আমরা মনে করি মহান মুক্তিযুদ্ধের নেত্রিত্বদানকারী দল হিসেবে জাতিরজনক বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের এ মহান দায়িত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের জীবদ্ধশায় সম্পন্ন করা উচিত। সবাই শেয়ার করুন, মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সত্যিকারে শ্রদ্ধা থাকে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে মুক্তির খোলা চিঠি
আমার সার্টিফিকেট দরকার নাই। কোন ভাতার দরকার নাই। আপনি মুসলমান দাবী করলে আমি কেন করবো না? আমিও তো  নামাজ পড়ি? মন্ত্রী আমাকে অপমান করতে পারে না। তার চেয়ে আওয়ামী লীগের জন্য আমার অবদান সেই ৬৯ থেকে অদ্যাবধি তিল পরিমান কম নয়; বঙ্গবন্ধু আমাকে চাকুরী দিয়েছিলেন সচিবালয়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। অমুক্তিযোদ্ধা ভাতা পায় এবং তা আওয়ামী লীগের আমলে এবং আওয়ামী লীগের মন্ত্রীর স্বাক্ষরে কেন? আমার কি ইচ্ছে করে না যে আমার সন্তান মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হোক। আমার সন্তানের কি ইচ্ছে করে না, তার বাবা মুক্কতিযোদ্ধা এ কথা অন্য দশজনের নিকট বলে গৌরব বোধ করতে? মন্ত্রীর ইচ্ছে মত চলতে পারে না; এ সব তথ্য নেত্রীর জানা দরকার।
নিবেদক - মোকতেল হোসেন মুক্তি, কন্ঠশিল্পী মুক্তিযোদ্ধা,
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সময়৭১।
মালদ্বীপ আওয়ামী লীগ
বঙ্গবন্ধু পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা
সাধারণ সম্পাদক
মালদ্বীপস্থ প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি এসোসিয়েশন
সুরকার গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক
সঙ্গীত শিক্ষক
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

Monday, May 20, 2013

Digital Bangladesh Vision 2021

Digital Bangladesh Vision 2021 will need from both Public and Private sector an infusion of resources, leadership and ICT centered development if it is to be made meaningful. Over the last few decades, the world has been shifting from industrial to knowledge-based societies; the ability of a nation to use and create knowledge capital determines its capacity to empower and enable its citizens by increasing human capabilities. Easy access to knowledge, creation and preservation of knowledge systems, dissemination of knowledge and better knowledge services should be core concerns of the Digital Bangladesh Vision 2021. Bangladesh should be part of a well-crafted national strategy and “Digital Bangladesh”, needs to be the cornerstone strategy for Bangladesh. We have to build a people-centered, development-oriented Information Society, where everyone would be able to access, utilize and share information and knowledge easily and efficiently. The concept of Digital Bangladesh should be centered on the creation of what is popularly termed as a "knowledge- based society," Information and communication technologies (ICTs) are a critical component for building this knowledge-society. Our ability in creating and disseminating knowledge will eventually drive the nation’s growth in the coming days. A digital society ensures an ICT- driven knowledge-based society where information will be readily available online and where all possible tasks of the government, semi-government and also private spheres will be processed using state of the art technology. The first and foremost challenge to materialize the Digital Bangladesh Vision 2021 would be to ensure overall connectivity at an affordable cost. With the intent to enhance connectivity emphasis should be provided on the establishment of infrastructures to “Connect the Unconnected” and importance must be given on laying more optical fiber to reach the marginal people of the country. Digital Bangladesh Vision 2021 should establish technology- driven e-governance which includes e-administration, e-education, e-health, e-commerce, e- production, e-agriculture, etc. in the five focus areas of the knowledge paradigm:
1) Access to Knowledge 2) Knowledge concepts 3) Creation of Knowledge 4) Knowledge Applications 5) Delivery of Services 1. Access to Knowledge: Providing access to knowledge is the most fundamental way of increasing the opportunities and reach of individuals and groups. Therefore, means must exist for individuals who have the ability to receive and comprehend knowledge to readily obtain it. This also includes making accurate knowledge of the state and its activities available to the general public. Project, should be immediately initiated with an objective to facilitate the establishment of a firm presence of Bangladesh Government entities on the Web with two way communication capability or Web 2.0. The Program requires provision of an entire spectrum of web services to the Government sector as well as running specialized Portals for the benefit of citizens and other stakeholders. 2. Knowledge Concepts: Knowledge concepts are organized, distributed and transmitted through the education system and that’s why we need an NREN in Bangladesh. It is through education that an individual can make better informed decisions, keep abreast of important issues and trends around him or her and most importantly, question the socio-economic arrangements in a manner that can lead to change and development.
In fact, a successful "Digital Bangladesh" would need a more literate population. A mass computer-literacy program or even a government- sponsored computer course, offered perhaps as an incentive for every student who completes his or her secondary-school education, would benefit everyone. If there is will - backed by investment - there is a way. 3. Creation of Knowledge: A nation can develop in two ways – either it learns to use existing resources better, or it discovers new resources. Both activities involve creation of knowledge. This makes it important to consider all activities that lead to the creation of knowledge directly or help in protecting the knowledge that is created. To realize the aspirations of the 2021 vision, the country must be able to produce its own engineers, scientists and technological know-how.
4. Knowledge Applications: Knowledge can be productively applied to promote technological change and facilitate reliable and regular flow of information. This requires significant investment in goal-oriented research and development along with access models that can simplify market transactions and other processes within an industry. Initiatives in the areas of agriculture, small and medium enterprises (SMEs) and traditional knowledge can demonstrate that knowledge can be very effectively applied for the betterment of the rural poor. 5. Delivery of Services: Knowledge services have the potential to simplify many different points at which citizens interact with the State. Traditionally, these points of interaction have been vulnerable to unscrupulous activities and rent-seeking. We need to set the bureaucracy under an e- governance initiative, with a transparent file tracking system that the public can access. This will, right away, reduce corruption, because everyone involved in the process can be tracked down. Technology provides us with an opportunity to ensure accountability, transparency and efficiency in government services. E-governance is one of the ways in which citizens can be empowered to increase transparency of government functioning, leading to greater efficiency and productivity. E-Governance aims to place the government within the reach of all citizens increasing transparency and citizen's participation. Thus, the development of e-Governance should promote universal access to government's services, integrate administrative systems, networks, and databases, and make such information available to the citizen via Internet. In a nutshell such e-Governance should transform the government into a citizen centric technological driven one. There are various dimensions to building a Digital Bangladesh, all of which are equally important pillars. A Digital Bangladesh may constitute the following goals:

1) Build excellence in the educational system to meet the knowledge challenges of the 21st century by strengthening the education system, promote domestic research and innovation, facilitate knowledge application in sectors like health, agriculture, and industry. 2) Leverage information and communication technologies to enhance governance and improve connectivity that allows ICT-based services to be deployed equitably throughout his nation. 3) Devise mechanisms for exchange and interaction between knowledge systems in the Global arena. 4) Promote creation of knowledge in S&T laboratories that utilizes information technologies and communication networks for dissemination and exchange of knowledge. 5) Promote knowledge applications in agriculture and industry so that they can use ICTs for marketing and promotion of its products, for producing internal efficiencies, and for communication and transaction between entities. 6) Promote the use of knowledge capabilities in making government an effective, transparent and accountable service provider to the citizen and promote widespread sharing of knowledge to maximize public benefit.

Wednesday, September 30, 2009

VERY SIMPLE WOMEN SHEIKH HASINA


SHEIKH HASINA, Honorable Prime Minister of People's Republic of Bangladesh (2nd term), was born on 28 September, 1947 at Tungipara under Gopalganj district. She is the eldest of five children of the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the founder of independent Bangladesh.
She graduated from the University of Dhaka in 1973. She was elected Vice President of the Students Union of Government Intermediate Girl’s College. She was a member of the students League Unit of Dhaka University and Secretary of the Students League Unit of Rokeya Hall. She actively participated in all the mass movements since her student life.

Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman along with the members of his family was martyred on the fateful night of 15 August 1975. Sheikh Hasina and her younger sister Sheikh Rehana were the only survivors as they were in West Germany at that time. Later she went to the United Kingdom from where she started her movement against the autocratic rule in 1980. Sheikh Hasina was unanimously elected President of Bangladesh Awami League in 1981 in her absence, while she was forced to live in exile in New Delhi. Ending six years in exile, she returned home finally on 17 May 1981.In the parliamentary election held in 1986, she won three seats. She was elected Leader of the Opposition. She led the historic mass movement in 1990 and announced the constitutional formula for peaceful transfer o
f power through Articles 51 and 56 of the Constitution.
Following the election of 1991 Sheikh Hasina became Leader of the Opposition in the country’s Fifth Parliament, She steered all the political parties in the parliament towards changing the Presidential system into the Parliamentary one.
Sheikh Hasina created awareness among the people and waged a struggle for Non-party Caretaker Government to ensure free and fair polls. Her movement reached the peak after a non-cooperation movement in March 1996 and the provision for Non-party Caretaker Government was incorporated in the Constitution.
At the call of Sheikh Hasina a large number of people of all walks of life expressed solidarity with the movement at the ‘Janatar Mancha’. In the Parliamentary election held on 12 June 1996, Bangladesh Awami League emerged as the majority party and she assumed the office of the Prime Minister of Bangladesh on 23 June 1996.
After becoming the Prime Minister, Sheikh Hasina adopted a number of pragmatic policies for overall development of the nation including poverty alleviation.
During the last four years her government achieved laudable success including signing of the historic 30 year Ganges Water Sharing Treaty with India, signing of historic peace Accord on Chittagong Hill Tracts and inauguration of the Bangabandhu Bridge on the river Jamuna.
Sheikh Hasina was conferred Degree of Doctor of Law by the Boston University of the US
A on 6 February 1997 and Honorary Doctor of Law by the Waseda
 University of Japan on 4 July 1997. She was also conferred the Honorary Doctorate of Philosophy in Liberal Arts by University of Abertay Dundee of the United Kingdom on 25 October, 1997. She was conferred Honorary Degree of Desikottama (Doctor of Literature, honoris causa) by Visva-Bharati University of West Be
ngal, India on 28 January 1999. She was also conferred the degree of Doctor of Laws, honoris causa, on the ground of her distinguished creative contributions in the service of society by the Australian National University on 20 October 1999. Dhaka University conferred Honorary 'Doctor of Laws' degree to Sheikh Hasina on 18 December, 1999 for her outstanding contribution towards peace and democracy. The World famous Catholic University of Brussels, Belgium conferred Honorary Doctorate degree (Doctor Honoris Causa) on Sheikh Hasina on 04 February, 2000 for her decisive role in establishing democracy, protecting human rights and peace. Sheikh Hasina has been conferred Honorary Doctor of Humane Letters by the Bridgeport University, USA on 5 September, 2000.
Sheikh Hasina has been awarded UNESCO's Houphouet-Boigny Peace Prize for 1998 for her remarkable contribution to bringing peace through ending the 25 years of conflict in Chittagong Hill Tracts with political courage and statesmanship.

Prime Minister Sheikh Hasina received prestigious Pearl S. Buck Award '99 on 9 April 2000 in recognition of her vision, courage, achievements in political, economic and humanitarian fields by Randolph Macon Women's College of USA. The UN Food and Agriculture Organization (FAO) has been awarded the prestigious CERES' medal to Prime Minister Sheikh Hasina in recognition to her fight against hunger on 02 August, 1999. The All India Peace Council awarded her 'Mother Teresa Award' in 1998. The Mahatma M K Gandhi Foundation of Oslo, Norway awarded Sheikh Hasina ‘M K Gandhi Award’ for 1998 for her contribution towards promotion of communal understanding, non violent religions harmony and growth of democracy at the level of grassroots in Bangladesh. Sheikh Hasina was named Paul Haris Fellow by the Rotary Foundation of Rotary International. She was also given Medal of Distinction in 1996-97 and 1998-99 and Head of State Medal in 1996-97 by the International Association of Lions Clubs.
She has authored several books including "Why Are They Street Children", "The Origin of Autocracy", 'Miles to Go", "Elimination of Poverty and Some Thoughts", "People and Democracy", "My Dream My Struggle" and "Development for the Masses." She performed holy Hajj and Umrah several times.
Sheikh Hasina is the Chairperson of "The Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Memorial Trust". She has been helping a lot of poor boys and girls for their education.
Prime Minister Sheikh Hasina, throughout her life has been a strong proponent of peace, freedom and democracy. From an early age, inspired by the lofty ideals and love for the people of her father, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the liberator of Bangladesh, she developed a strong sense of identity for the common people. She always spoke out against oppression and violation of human rights. This commitment has hardened over the years, particularly when her parents, brothers and scores of relatives were brutally assassinated by the misguided members of the military in 1975 soon after the independence of Bangladesh.

Since that time her resolve for democracy and development for the teeming millions of Bangladesh has become firmly entrenched. She struggled for the return of democracy in Bangladesh and fought valiantly for its establishment in the country in every possible manner. She was committed to making Parliament the centre of all national activities.
In 1996, the people of Bangladesh gave her a strong mandate as the Prime Minister of the country. Despite serious resource and constraints and recurrent natural calamity as well as widespread poverty, Prime Minister Sheikh Hasina, during the first two years of her government, has lived up to her unswerving commitment to the cause of peace, democracy, development and human rights.
Her first act of peace within months of her assumption of office was the initiative for resolution of the long-standing water-sharing dispute with India through a 30-years treaty. This put an end to a very complex regional dispute.
Her visionary idea of a business summit among the political and private sector leaders of Bangladesh, India and Pakistan has added a new chapter in the history of South Asia.
Her dedicated leadership also made possible a peace agreement in the Chittagong Hill Tracts, thereby solving the 23-year old insurgency in the Hill districts of Bangla
desh. This peace accord brought an area inhabited by nearly 5 million people out of violence and into a time of peace and development. Though the international media has not given much prominence to this accord, it is uniquely remarkable because the peace accord benefited such a large number of people and the whole area has been brought under development programs following the complete surrender of arms by the insurgents.
Her quest for peace has taken her to India and Pakistan to talk to the leaders of these two countries soon after the nuclear test urging reduction of tension in the region.

Prime Minister Hasina has been a strong advocate for the Culture of Peace at global, regional and national levels. In many major conferences, she espoused the concept of the Culture of Peace, most recently in South Africa at the 12th Summit of the Non-Aligned Movement (NAM) which has a membership of 114 countries. Her initiative has resulted in the first-ever resolution by the Plenary of the United Nations General Assembly on the Culture of Peace. She also provided leadership for the declaration by the UN of the period 2001 to 2010 as the International Decade for Culture of Peace and Non-Violence for the Children of the World.
Prime Minister Hasina’s determination for the eradication of poverty, in particular through wide-ranging microcredit programmes, has been recognized world-wide. Her co-chairpersonship of the Microcredit Summit in February 1997 which resolved to bring 100 million families of the world out of poverty by 2005 focused world attention to her strong commitment to the eradication of poverty and enlistment of the poorest of the poor. She has been a champion of microcredit by spreading the message in major international forums. Her leadership led to the adoption for the first time by UN General Assembly a far-reaching resolution on the role of microcredit in the eradication of poverty.
Along with poverty eradication, she has focused on the empowerment of women and has successfully completed legislation to ensure adequate representation of women in the local government bodies, leading to the election of more than 14,000 women to these bodies in 1997. She has taken major initiatives to stop violence against women and children.
She has also provided leadership in the field of education, particularly for the education of girls in her own country as well as advocating it for global support. Her government has greatly enhanced budgetary allocation for primary education focusing on girls’ education.
To improve the quality of life of the people of Bangladesh, Prime Minister Sheikh Hasina has particularly focused on human development, paying special attention to healthcare, family planning, nutrition, women’s rights and survival and development of children. At the UN and other forums, she has been a major voice in support of the cause of children and their rights.
Prime Minister Sheikh Hasina has, all along her life, defended human rights in every possible way. Her active promotion of the rights of women and children has drawn appreciation by both of government and NGOs as well as international organizations. She has promoted the right to development as having centrality in the human rights regime. At the NAM Summit in South Africa in 1998, her proposal for a Convention on the Right to Development received welcoming endorsement of the Heads of State and Government. She initiated the establishment of a National Human Rights Commission and the office of Ombudsperson as well as Bangladesh’s recent accession to six major human rights instruments including the International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights.
Her keen interest resulted in the signature by Bangladesh of the Statute for the International Criminal Court (ICC) and ratification of the Landmines Treaty, being the first country in South Asia to do so.
Prime Minister Sheikh Hasina’s initiative resulted in the hosting of the first-ever conference of the Asian parliamentarians devoted to peace and cooperation in Dhaka in September 1999 which elected her as the first President of the Association of Asian Parliaments for peace established at the conference.
At present, as someone who has lost so much personally and has been a victim of oppression and denial of freedom, Prime Minister Sheikh Hasina stands out as a messenger of peace, democracy, development and human rights. Her leadership of the eighth largest country of the world manifests her concern for the people, seen again during the worst-ever floods in Bangladesh in 1998.
§ Sheikh Hasina is the recipient of the UNESCO Houphouet-Boigny Peace Prize for 1998 for her role in bringing peace in the Chittagong Hill Tracts region of Bangladesh.
§ Sheikh Hasina has been awarded the Mahatma Gandhi Award for 1998 (Oslo, Norway) for her contribution towards promotion of communal understanding, non-violence, religio
us harmony and growth of grassroots democracy in Bangladesh.
§ She has been awarded 1999 CERES Medal for contribution to the agriculture development by the Food and Agriculture Organization of the United Nations, Rome.
§ She is the winner of the 1999 Pearl S. Buck Award for "your vision, your courage and your achievements in political, economic and humanitarian spheres capture the spirit of the award and of the woman who inspired it."
§ She has been awarded honorary Doctor of Liberal Arts by the University of Alberta Dundee in the United Kingdom in October 1997.
§ She has been conferred honorary Doctor of Laws by the Boston University in th
e United States and the Waseda University of Japan.
§ She has been conferred the degree of Desikottama (Doctor of Literature) by the Visva-Bharati University, India founded by Nobel Laureate Rabindranath Tagore.
§ She has been conferred honorary Doctor of Laws by the Australian National University in October 1999.
§ Prime Minister Sheikh Hasina has been conferred honorary Doctor of Laws by Dhaka University in December 1999.
§ She has been conferred honorary Doctor of Laws by the Catholic University of Brussels in February 2000.
§ Prime Minister Sheikh Hasina has been conferred by the honorary Doctor of Humane Letters for her contribution to world peace and development by the University of Bridgeport, Connecticut in the United States on 5 September 2000.
Under her leadership her party Bangladesh Awami League led grand alliance to win a landslide victory in the 9th Parliament Election on December 29, 2008 with 262 seats out of 299 in the National Parliament.
Sheikh Hasina took oath as Prime Minister of Bangladesh (2nd term) at a ceremony held at Banghabhaban on January 06, 2009.
https://blogger.googleusercontent.com/tracker/6266103253031353252-7339207086817040257?l=skhasinawajed.blogspot.com

Extremism in Bangladesh by AIR CDRE (RETD) ISHFAQ ILAHI CHOUDHURY

AIR CDRE (RETD) ISHFAQ ILAHI CHOUDHURY







As we say goodbye to the year 2012, we might take time out to reflect on our achievements and failures in the year gone by, examine our prospects for the future and the challenges that lie ahead. Religious extremism leading to terrorist activities is one such area that needs to be reviewed. While many South Asian countries are deeply embroiled in the fight against terrorism, Bangladesh had generally been free from terrorist attacks since 2005. As we tended to relax, two incidents in 2012 brought our focus back to the terrorism issue. The first was the burning and looting of the houses and temples of the Buddhist communities in Cox’s Bazar area on 29-30 September. The second was the arrest on 17 October of a young Bangladeshi man caught while planning to bomb the Federal Reserve Building in New York, USA. As the year was coming to a close, the violence unleashed across the country by the Jamaat-e-Islami (JI), a right-wing Islamist party, sent us a clear signal of the growing strength of Islamist politics. we say goodbye to the year 2012, we might take time out to reflect on our achievements and failures in the year gone by, examine our prospects for the future and the challenges that lie ahead. Religious extremism leading to terrorist activities is one such area that needs to be reviewed. While many South Asian countries are deeply embroiled in the fight against terrorism, Bangladesh had generally been free from terrorist attacks since 2005. As we tended to relax, two incidents in 2012 brought our focus back to the terrorism issue. The first was the burning and looting of the houses and temples of the Buddhist communities in Cox’s Bazar area on 29-30 September. The second was the arrest on 17 October of a young Bangladeshi man caught while planning to bomb the Federal Reserve Building in New York, USA. As the year was coming to a close, the violence unleashed across the country by the Jamaat-e-Islami (JI), a right-wing Islamist party, sent us a clear signal of the growing strength of Islamist politics. These are happening at a time when an avowed secular party, the Awami League (AL), is in power. AL won the 2008 election with a commitment to amend the constitution to restore its secular character. It also promised stern action against all forms of religious extremism and terrorism. Four years down the line, much of those promises remain unfulfilled. Constitutional reform was half-done; Islam remained a state religion. Religious parties are more organised today than ever before. Their student fronts are active in most educational institutions. While Islamists are active on political fronts, more radical amongst them are organising themselves for terrorist activities as and when opportunities appear.  
Rise of Islamic extremism in Bangladesh
On 16 December 1971, we hoped that Bangladesh would emerge as a modern democratic state. The spirit of the nation was epitomised in the Constitution (1972) that adopted secularism as a state principle and prohibited the political use of religion. The Constitution barred the state from declaring any religion as state religion. However, it all changed after the killing of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and many top-ranking political leaders in 1975. Those who seized power at the time found the Islamists as their political ally and started islamising the society and the state. Islamist political parties, such as JI, started building their party structures. The power elites established thousands of madrassas that produced religiously indoctrinated youths who would be the front-line activists of the Islamist parties. Poor, jobless students from the madrassas became easy target of the recruiters of militant Islamist organisations. By late 1990s we had militant organisations such as Jamiatul Mujahedin Bangladesh (JMB) and Harkatul Jihad Al-Islami (HUJI) that took roots in Bangladesh.
Starting from 1999 to 2005, the militants bombed temples, churches, political rallies, cultural functions, cinema halls etc. The government and the opposition kept on blaming each other for those attacks. Even when grenades attack was made on the AL rally in Dhaka on 22 August 2004 killing 22 people and injuring the AL Chief Sheikh Hasina, the government blamed it on the opposition. The series bombing on 17 August 2005 finally compelled the government to come out of the denial mode and stand up to the terrorist threat. In 2006-07, we saw a series of arrests, prosecution and handing down of sentences, including death sentences, on some of the terror leaders. Since then there has been no major terror attack in Bangladesh, but that the terrorists are active is evident from the frequent arrests of activists and seizure of large cache of arms and explosives from their hideouts.
Bulk of the Islamic militants arrested so far had come from poor rural communities. Many were from the Quomi Madrassa background. However, recent years saw a new breed of extremists called the Hizb-ut-Tahrir (HuT). HuT members are drawn from children of urban, upper income parentage, educated in the mainstream or English medium schools and colleges. HuT is targeting the cream of our youth, the nation’s future, and therefore, poses a clear danger. It is feared that HuT has penetrated among schools and universities, professionals – engineers, doctors, government officials and even among the security apparatus. Although the party was banned in 2009, its clandestine activities continue in the country. On the political front, JI continued to grow in strength in Bangladesh. The party is small in size, but highly disciplined, well-organised and has a well-defined hierarchy. Jamaat’s aim is to establish a pure Islamic state based on Sharia. The party had opposed the Liberation War of Bangladesh in 1971 and actively collaborated in the genocide. Some of the top leaderships are now facing war-crime trial. The party, therefore, is on a back foot now, but given the fact that a new election is around the corner, its rank and file might align with the major opposition party to make a bid for power. JI’s student wing, Islami Chattra Shibir (Islamic Students Front), is now a potent student organisation, from schools to universities. The other Islamist party of importance is Islami Oikyo Jote (Islamic Unity Front), a collection of small Islamic parties. Like JI, IOJ also wants to establish an Islamic state in Bangladesh, but there are differences in outlook. IOJ members are exclusively from Quomi madrassa background and more traditional. IOJ has been in the forefront, along with JI, in the movement to declare Ahmedia community as non-Muslims. Present government’s attempt to register Quomi Madrassas and reform their curriculum was thwarted by IOJ’s agitation. None of the Islamist political parties gave open support to the militant activities, however, many of the JMB and HUJI activists had previously been members of Islamist political parties. The Islamist parties have multifarious social, economic and financial investments. Some of the largest banks, insurance, hospitals, diagnostic centres, schools, universities, coaching centres, and travel agencies are operated undercover by the Islamist parties. The Islamist parties have been gaining in strength in Bangladesh at the expense of the two major political parties – BNP and AL. Both parties at one time or other have been courting these parties in order to gain short term advantage over the other.
Countering the extremists
Bangladesh government has taken a number steps to check extremism and militancy. Notable among those are: Anti-Terrorism Act 2009 and Money Laundering Prevention Act 2009 as amended in 2011. The two acts provide for deterrent punishment to offenders in case they engage in acts of terror or launder money to support terrorism. Based on a series of dialogues, workshops and seminars, participated by academics, researchers, politicians, parliamentarians, civil and military officials, a national strategy to combat terrorism in the country has been proposed.Bangladesh has banned a total of six terrorist organizations, including JMB, HUJI and HuT. A number of Islamic NGOs have been banned who had terror links, including Revival of Islamic Heritage Society (Kuwait), Rabita Al Alam Al Islami (Saudi Arabia), and International Islamic relief Organization (Saudi Arabia), Muslim Aid (UK). More than 1,300 militants were arrested; most of them belonging to JMB, HUJI-B or HuT. 29 terrorist kingpins have been sentenced to death and many more sentenced to long imprisonment or are awaiting trial.While our police action has been commendable, we did not do enough on the social front. We need to address urgently the problem of poverty, ignorance, and backwardness. Democratisation of the society is an insurance against extremist ideology. We need to improve governance and provide access to justice for the poor and downtrodden. We need to impart modern education to our youth that prepare them to face the challenges of a fast changing world. A thorough overhaul of madrassa education in our country is long overdue. We need an education system that produce people with high ethical and technical standards, a system that encourages freethinking rather than rote learning. Emergence of HuT points out a lack of pride and a sense of disillusionment among the children of affluent class. This is because English medium schools, where most of the rich parents send their children, follow a curriculum that has no relevance to our culture, history or traditions. Therefore, English medium school syllabus too needs a thorough review.Government must legislate not to allow use of religion to gain political mileage. We need to check creeping ‘Sudiaization’ of Islam. Along with the money from the ME donors, comes the ideological package of Wahhabi Islam which is alien to South Asia. One of the prices we pay for the remittance from our labour force in the ME is the influx of Saudi brand of Islam. How do we de-radicalise these migrant workers is a big challenge for us. Meanwhile, hundreds of extremists who are arrested or under trial must be segregated from other prisoners. At present, these extremists are finding a captive audience 24 hours at their disposal, busy recruiting new ones from among the prisoners. We need to isolate the extremists and start a de-radicalisation program so that when they return to the society they become useful citizen.Our effort to counter religious extremism must be supplemented by regional and global effort. We need to have close cooperation and coordination between the governments of the region. Border monitoring, passport control, anti-money laundering measures, exchange of information on the movement of suspects, arrest and deportation of fugitives are some of the areas where regional countries could cooperate. Checking of arms smuggling across the porous border is another area where regional cooperation is the answer. In short, a total, comprehensive strategy has to be adopted for fighting religious extremism. If Bangladesh is to emerge as a modern, democratic state, the menace of extremism must be eliminated.